Tuesday, March 15, 2011

পরিবর্তন ! CHANGE ! बदलाव

To read and write in Bengali, please download FREE Fonts and FREE Keyboard Software by clicking the links given under "You must visit" and Set your Browser Encoding to Unicode (UTF-8 ). Thank you.


The PARIBARTAN is over! Discussions on that topic can still be read at the bottom of this page. 


Artists and Sculptors in MILANSAGAR



INDIAN GREATS

SURAJIT DAS'S SCULPTURES


PHALGUNI DASGUPTA'S WATER COLOURS

SANTWANA GOSWAMI'S ART

SWAPNESH CHOUDHURY'S PAINTINGS

ARUNDHATI ROY CHOUDURY'S ART


OTHER ARTISTS
PROMISING ARTISTS

DEBJYOTI (MUKUL) PURAKAYASTHA'S SCULPTURES

KRITYANAND DAS'S CARTOONS

NANDINI SANYAL'S CHALK SCULPTURES

KANDASWAMI MURUGESHAN'S CHALK SCULPTURES

ARNEL B GALGO'S CHALK SCULPTURES FROM PHILLIPINES

TAPAMITRA MITRA'S ART

REUVEN GAYLE'S CHALKS AND MICRO SCULPTURES FROM USA

ANNE BRACK'S WATER COLOURS FROM AUSTRALIA

SUJIT DAS'S PAINTINGS AND SCULPTURES

SUKARMA THERAJA'S EDUCATIONALS COLLAGES

JYOTIPRABHA MAHAPATRA'S CHALK & WAX SCULPTURES AND ART

ABHIJIT BERA'S OIL PAINTINGS

MANOJ PANCHAL'S CHALK SCULPTURES

AMRITA BANERJEE'S ART

VINODKUMAR C'S CHALK SCHULPTURES

VISHAL BANSAL'S CHALK SCULPTURES

ALKA'S CHALK AND PENCIL LEAD SCULPTURES

SWAPAN DAS'S PAINTINGS

BIPLAB KUNDU'S PAINTINGS

PRITI ARUN PAWAR'S PAINTINGS

GEETIKA PATHANIA'S PAINTINGS, RICKSHAW PULLERS

ADRISH DAS'S COLLAGE & PAINTINGS

BHAVIKA BAJPAI'S CHALK SCULPTURES

SANDIP MISRA'S PAINTINGS

DEBASHREE MITRA DEY'S PAINTINGS

AMRTA ARORA'S OIL PAINTINGS

ART COMPETITION, ANDHRA ASSOCIATION SCHOOL, KOLKATA

K.L. INDUMATI'S CHALK SCULPTURES

SAILOR CHEF CESAR B. SAURIN'S FOOD SCULPTURES

MAHENDRA KASULA'S CARTOONS

SUCHISMITA GOSWAMI'S TERRACOTTA

ARPAN SENGUPTA'S ART

PARTHAN RAVI'S CHALK SCULPTURES

MILAN'S CHALK SCULPTURES

ART IN ANGUISH, SINGUR NANDIGRAM


53 comments:

  1. Click here to listen to a beautiful Bengali song by Debashis Roy about CHANGE, about Paribartan! This has been taken from his Album Bhango Bastil, distributed by Raga Music. The lyrics of the song are as follows:

    শরতের মেঘ যাবার বেলায়
    বলে গেলো --- হাওয়া ঘুরছে!
    ঝরা পাতা ঝ’রে কানে কানে কয়
    ওই দ্যাখো --- হাওয়া ঘুরছে!
    সকাল সাঁঝের কুহেলিকা জ’মে
    ফিস্ ফিসে বলে --- ঘুরছে!
    ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
    হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!

    ঘাসে ঘাসে জমা শিশিরে শিশিরে
    একই কথা --- হাওয়া ঘুরছে!
    তুলসী তলায়, আকাশ প্রদীপে
    টিম টিমে বলে --- ঘুরছে |
    মিটি মিটি তারা, ছায়াপথ ধারা,
    সকলেই বলে --- ঘুরছে !
    ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
    হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!

    যার জমি ঘেরা, রুজি-রুটি কাড়া,
    সে তো জানে --- হাওয়া ঘুরছে!
    যার কারখানা গেটে তালা মারা
    চোখে মুখে --- হাওয়া ঘুরছে!
    যার পেটে নেই শুকনো রুটিও
    তারও মনে --- হাওয়া ঘুরছে!
    ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
    হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!

    স্লোগানের ঢং, পতাকার রং
    সবই বলে --- হাওয়া ঘুরছে!
    মশালে মশালে আগুনের শিখা
    জ্ব’লে বলে --- হাওয়া ঘুরছে!
    কালের কবি দেয়াল লিখনে
    দ্যাখে, লেখা --- হাওয়া ঘুরছে!
    ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
    হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!

    ReplyDelete
  2. ভোটের কাঠি বেজে উঠেছে! গতকাল শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের ২২৮জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন। সেই প্রার্থীতালিকার একটি নাম শ্রী মণীষ গুপ্ত। তিনি দাঁড়াচ্ছেন যাদবপুর নির্বাচন কেন্দ্র থেকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আর কেউ নন, স্বয়ং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মুলত এই ভদ্রলেকের নেতৃত্বাধীন সরকারকে বরখাস্ত করাই হচ্ছে এই তর্ক-বিতর্কের সভার নাম - "পরিবর্তন"।

    শ্রী মণীষ গুপ্ত সেই মানুষ যিনি একসময় মুখ্যমন্ত্রীর জ্যোতিবসুর সরকারের কার্যকরি ডানহাত ছিলেন বললে অত্যুক্তি করা হবে না। তিনি বেশকিছু কাল ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব এবং তারপর তিনি মুখ্য সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর সময়কালেই ঘটে গেছে জ্যোতিবসুর আমলের বেশকিছু নক্কারজনক ঘটনা। যেমন ১৪জন কংগ্রেসী কে গুলি করে হত্যা করা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে একাধিকবার মেরে ফেলার চেষ্টা, কংগ্রেসের হাত চিহ্নে ভোট দেবার শাস্তি হিসেবে বহু কংগ্রেসকর্মীর হাত কেটে নেওয়া। এছাড়াও আরও বহু কিছু আছে যার তালিকা এখানে আমি করতে চাই না।

    মণীশবাবু বলছেন যে এ সব ঘটনার জন্য তিনি দায়ী ছিলেন না। সেটা মেনে নেওয়া আমাদের যত্সামান্য মেধারও অপমান করা হবে। তবুও যদি তা সত্যিও হয়, তবে তিনি সেই সময় অত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে জোরালো প্রতিবাদ করেন নি কেন, যা মানুষ শুনতে পায়? দোষীদের শাস্তি দেবারই বা তিনি কি ব্যবস্থা করেছিলেন? মৌনতা সম্মতিরই লক্ষ্মণ!

    মণীষবাবু আরও বলেছেন যে তিনি কিছু ভাল কাজ করার সুযোগ চাইছেন মাত্র! আমার প্রশ্ন এই যে তাঁর আসল কর্মক্ষম সময়কালটি তিনি জ্যোতিবাবুর ধামা ধরে কাটিয়ে এখন অবসরকালে তিনি কী উপকার করবেন মানুষের? একেই কি বলে গাছেরটা খাওয়া আর তলারটা কুড়ানো!

    এরকম ভোটপ্রার্থী যদি শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতীকে দাঁড়ায় তাহলে সেই সব মানুষ, যাঁরা জ্যোতিবসুর আমলে নির্যাতিত ও নিহত হয়েছিলেন তাঁদের প্রতি আমাদের কি এটা সঠিক কর্তব্য হবে? এরকম মানুষ সরকারে এলে কি বিশ্বাস করা উচিত হবে, যে সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের দোষীরা কোনোদিন শাস্তি পাবে?

    সরকারী আমলা হলেই বাদ দেবার কথা বলছি না। দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তো যথার্থ ভাল প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে তো কেউ কিছু বলছে না! তিনিও তো জ্যোতিবাবুর আমলের মানুষ। তিনি সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের সময়ে চুপচাপ ঘরে না বসে পথে নেমে আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন।

    আমার ভোটদানের কেন্দ্র টি আবার এই যাদবপুর-ই! আমি এখানকার ভোটদাতা। আমি এখন এক ধর্মসংকটে পড়েছি! কারণ এখন আর বলতে বাধা নেই যে এই বুদ্ধবাবুর সরকারকে উত্খাত করার জন্য সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনে দিদির পাশে ছিলাম তাঁর আন্দোলনের শুরু থেকেই, চাকরি-বাকরি ছেড়ে দিয়ে! আমি কাকে ভোট দেবো?

    ReplyDelete
  3. শ্রদ্ধেয় মিলনদা যা বলেছেন,তার সাথে আমি সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করি। এই ধর্মসংকটে আজ আমরা অনেকেই পড়েছি। তাই আমার মনে হয় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী নির্বাচনে মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বেশী সতর্ক থাকা দরকার ছিল। নয়তো সংসদীয় রাজনীতির সীমাবদ্ধ ঘেরাটোপে থেকেও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-নেতাই-রাজারহাটে মেহনতী কৃষক-শ্রমিক-সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে সরব হয়ে,তাঁদের জমি-জীবন-জীবিকারক্ষার আন্দোলনে সামিল হয়ে, সিঙ্গুরের চাষীদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া কৃষিজমি ফিরিয়ে আনার দাবিতে ছাব্বিশ দিন অনশন করে যে ‘’স্বচ্ছ, সৎ ও জনদরদী ও প্রতিবাদী’’ ভাবমূর্তি তিনি গড়ে তুলেছিলেন, তা আজ একটা বড়োসড়ো প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়তে পারে। আজ কিন্তু সারা বাংলার মানুষ স্বৈরাচারী বামফ্রন্ট সরকারের অবিলম্বে পতন চাইছে। সিপিএমের প্রতি আম জনতার এই সোচ্চার “না”-কে বামফ্রন্টের একমাত্র বিরোধী ও বিকল্প সংসদীয় দল হিসেবে তৃণমূলের প্রতি “হ্যাঁ” করে জনগণের পূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী আস্থা অর্জন করতে শ্রদ্ধেয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিন্তু পরিপূর্ণ সততা ও প্রখর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার সঙ্গে নির্বাচনের আগে ও পরে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ ফেলতে হবে। মাত্র একটি ভুল সিদ্ধান্তই কিন্তু মাননীয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল দলের পায়ের তলায় শক্ত মাটি কেড়ে নিতে পারে,গণভিত্তিকে বিপন্ন করতে পারে। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-রাজারহাট-হরিপুর থেকে লালগড়---- বাংলার সর্বত্র চলমান গণসংগ্রামের প্রতি লাল-সবুজ-গেরুয়া পতাকার রং বিচার না করে তাঁদের সংহতি জানাতে হবে। মেহনতী মানুষের অধিকার রক্ষার দাবিদাওয়া তুলে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলতেই হবে। শুধু ভোটের পালাবদল নয়, “মা-মাটি-মানুষে”র প্রকৃত পরিবর্তন চাই।

    ReplyDelete
  4. পরিবর্তনের গান
    ভোটের বাদ্যি উঠলো বেজে,
    পড়ে গেল কাড়াকাড়ি।
    কে বা কোন্‌ দল করবে বদল,
    কার দল হবে ভারী?
    লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
    ওরা ঘরছাড়া ফেরারী।
    রাতের আঁধারে সূর্যসেনারা
    আজও অতন্দ্র প্রহরী।

    ভোটের খেলায় বুঝে ওঠা দায়
    কার কোন্‌ অভিসন্ধি?
    গৌর-প্রসূন-ছত্রধরেরা
    আজও কারাগারে বন্দি।
    রাজা আসে যায়, রং বদলায়
    লাল-নীল রকমারি।
    লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
    তাই আজও ওরা ফেরারী।

    ‘বিপ্লবী’রা প্রজাপতি হয়ে
    ঘাসফুলে দেখো উড়ছে।
    সিধু-শশধর-উমাকান্তরা
    সীসের বুলেটে মরছে।
    ডান-বাম মিলেমিশে একাকার,
    ভোটের দখলদারি।
    লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
    তাই আজও ওরা ফেরারী।

    শশধর ভাসে জলছবি হয়ে
    মায়ের চোখের জলে।
    বাপের চিতার আগুনে পুড়ছে
    লালমোহনের ছেলে।
    ছিতামণির চোখের আঁধারে
    কে হবে আলোর দিশারী?
    লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
    তাই আজও ওরা ফেরারী।

    বেছে নাও সাথী কোন্‌ পথে যাবে?
    আমাদের কোন্‌ পক্ষ?
    লালবাড়ি? নাকি শহীদের পথে
    লালগড় হবে লক্ষ্য?
    ভুখা জনতার সংগ্রামী ডাকে
    এসো বিদ্রোহ করি।
    লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
    তাই আজও ওরা ফেরারী।

    - রাজেশ দত্ত
    ১৮ মার্চ ২০১১,চন্দননগর

    ReplyDelete
  5. গণসংগ্রামের গান
    আর গান নয়, স্লোগান তোলো।
    শান্তি মিছিল অনেক হোলো,
    এবার ক্রোধের আগুন জ্বালো,
    লড়াইয়ের দাও ডাক।

    অনেক কান্না, রক্ত ঝরেছে।
    কত আশা, কত স্বপ্ন মরেছে।
    দাসত্ব বেড়ি দু’পায়ে পড়েছে।
    শৃঙ্খল ঘুচে যাক।

    খেটে খায় যারা কারখানা-কলে,
    চাষের জমিতে, জলে-জঙ্গলে,
    লড়াকু কিষাণ-মজুরের দলে
    প্রতিবাদ ভাষা পাক।

    ভাঙো নীরবতা, ভীরুর জড়তা।
    দিকে দিকে জাগে ক্ষুব্ধ জনতা।
    লক্ষ কণ্ঠে মুক্তি বারতা ---
    থেকো নাকো নির্বাক।

    দিগন্তে আজ ঝড়ের আভাস,
    রক্ত আখরে লেখে ইতিহাস।
    ক্ষোভের আগুনে শ্বেত সন্ত্রাস,
    জ্বলেপুড়ে হোক খাক।

    পথে নামো সাথী, দূর করে ভয়।
    হবে মেহনতী মানুষের জয়।
    দিনবদলের দৃঢ় প্রত্যয়
    বুকের গভীরে থাক।

    - রাজেশ দত্ত
    ১৯ জানুয়ারি ২০১১,চন্দননগর

    ReplyDelete
  6. আমরা কবি রাজেশ দত্ত কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এখানে কবির এত সুন্দর অথচ জোরালো দুটি গান তুলে দেবার জন্য | আমরা গর্বের সঙ্গে আরও জানাচ্ছি যে আমাদের ওয়েবসাইটে কবির কিছু গান নিয়ে পাতা আমরা তৈরি করেছিলাম সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলাকালীন | সেই পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন |

    ReplyDelete
  7. Baba! Poribartan na holeo dosh! holeyo dosh! Didi ki apnader mon rakhben na poribartan korben?!

    ReplyDelete
  8. এই কবিতাটি আমাদের কাছে এসেছে...

    সিপিএম নেতা অনিল বসুর কদর্য ভাষায় ও কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করে রেলমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করার ছবি টিভির পর্দায় দেখে ও শুনে এই ছড়াটি লিখে ফেলি। তথাকথিত কম্যুনিস্টদের হাতে বারবার নিপীড়িত, ধর্ষিত ও অসম্মানিত বাংলার নারীদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমার প্রতিবাদ। আপনারা এই ছড়াটিকে ছড়িয়ে দিলে, আপনাদের মুদ্রণ মাধ্যমে ছাপলে, প্রচার করলে কৃতজ্ঞ থাকব।




    সিপিএম পাঁচালি

    সংঘমিত্রা দত্ত



    বুদ্ধ, বিমান, বিনয়, অনিল

    মাস্তানদের ভাষায়

    মাঠ-ময়দান কাঁপিয়ে বেড়ায়,

    বিরোধীদের শাসায়।

    বুদ্ধ মোটেই অহিংস নয়,

    হার্মাদদের নেতা।

    আগুনে পোড়ালো ছোটো আঙারিয়া,

    কেশপুর-গড়বেতা।

    ‘সফেদ’ ডিটারজেন্টে ধোওয়া

    শুভ্র বসন বেশ।

    পলিটব্যুরোর পালিত বুড়োর

    পলিত মাথার কেশ।

    টাটা-জিন্দাল-সালিম-আজিম

    বুদ্ধের সহোদর।

    সুকান্ত নয়, হিটলারেরই

    যোগ্য বংশধর।

    আর একজনা মাসতুতো ভাই

    নাম গৌতম দেব।

    রাজারহাটের জমির ডাকাত,

    কাটে গরিবের জেব।

    ভট্টাচার্যি অশোকবাবুর

    মেজাজ ‘চন্ডাশোক’।

    বিনয় বড়োই দুর্বিনীত,

    নয়তো ভদ্রলোক।

    নন্দীগ্রামের গরিব চাষির

    করতে ‘লাইফ হেল’,

    হামলা চালায় চোদ্দই মার্চ

    শেঠের খুনে লেঠেল।

    মেধা-অনুরাধা ‘বহিরাগত’--

    বিমান ‘কথামৃত’।

    সুশান্ত ঘোষ, লক্ষ্মণ শেঠ

    আগুনে ছড়ায় ঘৃত।

    মেধাকে রুখতে বিনয় কোঙার

    টিভি ক্যামেরায় বলে,

    “গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি

    পেছন দেখাবে খুলে”!

    “তাপসী মালিক চরিত্রহীন”--

    বিমানের দর্শন,

    “কলঙ্কিনী বলেই মেয়ের

    হয়েছিল ধর্ষণ” !

    নন্দীগ্রামের গণহত্যায়

    বুদ্ধ দেয় নিদেন--

    “দে হ্যাভ বিন পেইড ব্যাক

    বাই দেয়ার কয়েন”।

    বাক্যে নয়, গায়ের জোরেও

    বুদ্ধরা তৎপর।

    মমতার ঝুঁটি ধরে ঝাঁকি দেয়,

    সুজাতকে থাপ্পড়।

    হরেকরকম গালিগালাজ

    কমরেডদের জানা।

    নেতাজি হন ‘তোজোর কুকুর’,

    অতুল্য ঘোষ ‘কানা’!

    আলিমুদ্দিন সংস্কৃতির

    সুমহান ট্র্যাডিশন।

    প্রমোদ-জ্যোতি, বিনয়-অনিল

    কত মধুর বচন!

    প্রমোদ দাশগুপ্তের সেই

    ঐতিহাসিক ক্রোধ--

    “নকশাল কেন গুলিতে মরেনা,

    বন্দুকে কি নিরোধ?”

    বানতলায় অনিতা দেওয়ান

    খুন হলে বসু কয়---

    “খুন-ধর্ষণ ঘটলে কী ক্ষতি?

    এমন তো কত হয়”।

    ‘নন্দন’ থাক, বইমেলা থাক

    মায়কোভস্কি থাকো।

    প্রগতিশীলতার মুখোশ এঁটে

    হার্মাদদের ডাকো।

    “তপন আছে, সুকুর আছে

    আছে ক্যাডার-পুলিশ।

    সবাই মিলে কামড়ে দেব,

    এই কথা না ভুলিস”।

    মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-স্তালিন

    ওঁরা ‘আউট অফ ডেট’!

    বঙ্গ কম্যুনিস্টদের দেখে

    লজ্জায় মাথা হেঁট।

    রবীন্দ্র-নজরুল-রোকেয়ার

    সোনার বাংলা থেকে

    লাল বানরের কালো কালচার

    ছুঁড়ে ফেলে দাও পাঁকে।



    - সংঘমিত্রা দত্ত

    ভবানীপুর, কলকাতা-২৫

    ২৩ এপ্রিল, ২০১১

    ReplyDelete
  9. ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনোত্তর সময়ে, বিজয়ী দলের নেত্রী একটি আদেশ জারি করেছিলেন যে মানুষজন যদি কোথাও কোনো গান বাজাতে চান, তবে তা যেন শুধু রবীন্দ্রসংগীত হয় | এই আদেশের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও, দেখা গেল যে, যে গানগুলি সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ে রচিত হয় এবং নিজগুণে জনপ্রিয়তা অর্জন করে, যেমন কবীর সুমনের “নন্দীগ্রাম” সিডির গান, প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গান, রাজেশ দত্তর “মা মাটি মানুষের” গান, দুষ্টকবির লেখা দেবাশিস রায়ের সুরারোপিত “বাংলা জ্বলছে” এবং “ভাঙো বাস্তিল” সিডির গান এবং অন্যান্য কিছু জনপ্রিয় গান বাজানো প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হলো | আন্দোলনকারীরা নিজেরাই নিজেদের আন্দোলনের গান গাওয়া বা বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন, এমনটা এর আগে সারা পৃথিবীর কোনো আন্দোলনেই দেখা যায় নি! পুরো ব্যাপারটাই এমন রূপ নিয়েছে যেন এই গানগুলির উপর একটি অলিখিত সেনসরশিপ চাপিয়ে রুদ্ধ করে দেওয়া হল! এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুষ্ট কবি এই কবিতাটি রচনা করেছেন |

    তুমি মানুষের পাশে ছিলে
    তুমি এখনো পাশেই আছ
    রাজ-প্রহরার ব্যারিকেড ভেঙে
    জনজোয়ারের পথে নেমে নেমে
    প্রজার অশ্রু মোছো

    তোমার রাজদণ্ডের শরে
    বিদ্যুৎ-শিখা ঝরে
    রাজাসন থেকে পথে নেমে এসে
    তৃষিত তাপিত জর্জ্বর দেশে
    শান্তির বারি ঝরে

    যারা করেছিল অপমান
    যারা হেনেছিল অবিরাম
    তারাই আজকে নতমস্তকে
    বিতাড়িত হয়ে জনমন থেকে
    গায় তব গুণগান

    আমি তোমার, কালেরই কবি
    আমি নয় গো তোমার “রবি”
    তুমি বেঁচে রবে আগামীর দিনে
    আমারই কথায় আমার এই গানে
    এ নয় গো আমার দাবী

    তবুও হে কাণ্ডারী
    কবিরে দাও হে মুক্ত করি
    “রবি”র দোহাইয়ে বেঁধো নাকো তারে
    তোমারই তরে সে বন্দনা করে
    নিজের মতন করি


    . ******** কলকাতা ৩০/০৫/২০১১

    ReplyDelete
  10. শ্রদ্ধেয় মিলনদা, আমি তোমার এই সাম্প্রতিক লেখা মন্তব্য ও কবিতার প্রেক্ষিতে বেশ কিছুটা বিভ্রান্তিতে পড়েছি। কারণ আমার বা আমাদের সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের গানের ওপর অলিখিত সেন্সরশিপ জারি করা হয়েছে এমন খবর তো আমাকে কেউ দেননি। আর তাছাড়া মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্র সংগীত ছাড়া আর কোনও গান গাওয়া বা বাজানো যাবে না, এমন কোনও অদ্ভুত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বলেও তো কোথাও কোনো খবর পড়িনি। ১১ জ্যৈষ্ঠ নজরুল জন্মজয়ন্তীতেও তো কাজী নজরুল ইসলামের গান গাওয়া হয়েছে এবং একটি নজরুল academy গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়, তোমাকে নিশ্চয়ই কেউ কোনও ভুল খবর দিয়েছেন। কারণ আমি নিশ্চিত এমন কোনও খবর থাকলে তা আমার কাছে এসে পৌঁছত। তুমি অনুগ্রহ করে এর সত্যতা যাচাই কর এবং আমাকে জানাও। তুমি প্রতুলদা ও কবীর সুমন কেও জিজ্ঞাসা করতে পারো। --রাজেশ

    ReplyDelete
  11. আমি এই বিভ্রান্তিকর খবরের প্রেক্ষিতে বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার লেখা "সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-লালগড়" এর লড়াইয়ের গানের উপর কোনোরকম সেন্সরশিপ জারি করা হয়নি, বা অলিখিতভাবেও এমন কোনো নির্দেশ কেউ দেন নি। আমি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে গান লিখছি, আমার গানও গাওয়া হচ্ছে আর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নতুন লেখা গান ছাপাও হচ্ছে। তাই অনুগ্রহ করে এই অসত্য খবরে আমার নাম জড়াবেন না। শ্রদ্ধেয় মিলনদাও এই অসত্য খবরে বিভ্রান্ত হয়েছেন। তাঁকেও জানাই যে আমার গান এখনও গাওয়া হচ্ছে, বাজানোও হচ্ছে। --রাজেশ দত্ত। চন্দননগর।

    ReplyDelete
  12. জেনে ভাল লাগলো যে রাজেশ দত্তর গান গাওয়া এবং বাজানো হচ্ছে| আমরা কোথাও বলি নি যে সেনসরশিপ চাপানো হয়েছে| শুধু রবীন্দ্র সংগীত বাজানোর কথা উঠেছিল এবং তা খবরেও প্রকাশ পেয়েছে| পরে তার সাথে নজরুলের গান চালানোর কথা ওঠে, তাও খবরে প্রকাশ পায়| এবং সেইমত গান বাজানোও হয়েছে| এর ফলে অন্যান্য গান বাজানো যে কমে গেছে, সেটা ঠিক|

    ReplyDelete
  13. মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে, ক্যানসার চিকিত্সার উন্নয়নের জন্য, আমার একটি প্রস্তাব আছে ।

    ১৯৯৭ থেকে আমরা উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে, বছরে একটি করে বিনামূল্যে ক্যানসার নির্ণয় শিবির অনুষ্ঠিত করে আসছি । কলকাতার ইণ্ডিয়ান ক্যানসার সোসাইটির বিশেষজ্ঞগণ আমাদের শিবিরের রোগীদের পরীক্ষা করেন । সেই সূত্রে এবং আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে এই রাজ্যে ক্যানসার চিকিত্সার পরিকাঠামো খানিকটা থাকলেও, বিগত সরকারের উদাসীনতা এবং কিচ্ছু না করে শুধু পার্টিবাজী করার আগ্রহে ক্যানসার চিকিত্সা ব্যবস্থার চরম দুর্গতি হয়েছে ।

    অনেক ক্ষেত্রে রেডিশন দেবার মেশিনটাকে দিনে মাত্র ৪(চার) ঘন্টা ব্যবহার করা হয় । কারণ নাকি - ট্রেইন্ড লোক নেই! আমি ব্যক্তিগত সূত্রে জানতে পেরেছিলাম যে কর্মচারী সংঘটনের চাপে এবং আরও কিছু বাধাদানের কারণে লোক বাড়ানো যায় নি । কিছু উত্সাহী চিকিত্সক অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোনো ফল পান নি । হতাশ ও হতোদ্দম হয়ে তাঁরা বাধ্য হয়ে এই ব্যবস্থা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন । ঠিক যেমন সারা বাংলার মানুষ এই ব্যবস্থা এতদিন মেনেই জীবন কাটিয়ে দিচ্ছিলেন ।

    আপনা হয়তো জানেন যে রেডিয়েশন দেবার মেশিন টিকে ইচ্ছে মত সুইচ টিপে রেডিয়েশন স্টার্ট ও স্টপ করা যায় না । কারণ বিকীরণ একটি এমন প্রসেস যা চলতেই থাকে শক্তি বা ক্ষমতা ফুরিয়ে না যাওয়া অবধি । আমরা শুধু মেশিটি থেকে রোগীর যায়গা মত, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সময়ের জন্য, রেডিয়েশন দেবার জন্য একটি জানালা খুলে দিয়ে কাজ সম্পন্ন করি । তাই এত দামী মেশিনটির দিনে যতবার ইচ্ছা আমরা ব্যবহার করলেও যা খরচ হবে মাত্র চার ঘন্টা রোগী দের উপর ব্যবহার করলেও তাই খরচ হবে । কারন আগেই বলেছি যে বিকীরণ তো সর্বক্ষণ হয়েই চলেছ!

    এবার বেশী সংক্ষক ট্রেইন্ড টেকনিশিয়ান রাখলে অনেক বেশীক্ষণ রে-মেশিন কে ব্যবহার করা যাবে । দিনে চার ঘন্টার বদলে দিনে ১২, ১৬ ঘন্টা নিশ্চিন্তে শিফ্ট ডিউটি করলে বহু মানুষের তাড়াতাড়ি রে দেওয়া সম্ভব হবে । আজকাল সরকারী হাপাতালে ওয়েটিং পিরিয়াড কত তা যারা ভুক্তভুগী, তাঁরাই জানেন । এক সময়ে উত্তরবঙ্গে এক-দেড় মাস পরে ডেট পড়তো । যে চিকিত্সায় দেরী মানেই মৃত্যু, সেখানে দেড় মাস পরে রে দেবার ডেট কোন মুখে দেওয়া হোত জানিনা!

    তাই আমার অনুরোধ মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রীর কাছে এই যে উনি যেন এ বিষয়ে নজর দিয়ে এই দামী মেশিনগুলোর দীর্ঘ সময়ের ব্যবহার শুরুকরার ব্যবস্থা করেন এবং বাংলার মানুষকে অহেতুক বেদণাদায়ক মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেন ।

    ২৬ অগাস্ট ২০০৬ তে আমি সল্ট লেকের স্বাস্থভবনের সংস্লিষ্ট আমলাদের সাথে অন্যান্য ক্যানসার সোসাইটির একটি মিটিংএ এই কথাগুলি বলেছিলাম । আমলারা প্রায় হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন এই প্রস্তাবটি ! পরে আমি লিখিতভাবে আমার প্রস্তাব তাদের চিঠি দিয়ে জানাই । বলাবাহুল্য কোনো উত্তর পাই নি !

    মিলন সেনগুপ্ত,
    সম্পাদক,
    পাণ্ডাপাড়া মধুসূদন স্মৃতি ক্যানসার সোসাইটি

    ReplyDelete
  14. গতকাল গড়বেতার বেনাচাপড়া গ্রাম থেকে ৭টি নরকঙ্কাল মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে গ্রামবাসীদের উদ্যোগে । ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে নন্দীগ্রামে ঠিক এরকমভাবেই সি.আর.পি.এফ. ও সিবিআই মিলে, খেজুরিতে পাঁচটি কবর খুঁড়ে মানুষের দাহ করা অবশেষ উদ্ধার করেছিলেন । সেই সময় দুষ্টকবি একটি কবিতা রচনা করে আমাদের সাইটে প্রকাশিত করেছিলেন ।

    কবর খোঁড়
    কবি কণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন

    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
    মানুষ চিনতে পারিস নি তুই, এখন তার মাশুল ভর!

    যাকে তুই আনলি ডেকে
    সে ব্যাটাই পালটি হেঁকে
    তোকে তোর ভিটা থেকে
    তাড়াবার পিলান ঠোকে!
    সফেদ ধূতির কোঁচায় ভোলার, এখন তুই মাশুল ভর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    যারা তোর ভাইকে মারে
    বোনের ইজ্জৎ কাড়ে
    মেরে লাশ লোপাট করে
    পুড়িয়ে মাঠে গাড়ে!
    মিথ্যাচারকে আড়াল করার, এবার তুই মাশুল ভর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    এত কাল চুপটি ছিলি
    তাই এই সুযোগ দিলি
    কত যে পড়লো বলি
    তার কি হিসাব পেলি ?
    ডাইনে বামে ভেঙে থাকার, এখন তুই মাশুল ভর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    কবর খোঁড় পথের ধারে
    কবর খোঁড় ঝোপে ঝাড়ে
    যাবি ক্যান্ চুপি সাড়ে ?
    কবর খোঁড় ডঙ্কা মেরে!
    কে জানে তুই কোথায় পাবি, নিকট জনের শেষ খবর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    কবর খোঁড় যেথায় গোরে
    কবর খোঁড় শ্মশান পুরে
    কবর খোঁড় জুম্মা বারে
    কবর খোঁড় বিষুদ্ বারে
    এই একতা অটুট রেখে বাংলা জুড়ে নজীর গড়!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    কবর খোঁড় পুকুর পাঁকে
    কবর খোঁড় নদীর বাঁকে
    ছুটে যা ঝাঁকে ঝাঁকে
    খুঁড়ে তোল মোহানাকে
    তোর কবর খোঁড়ার শব্ দে ভাঙ্গুক উপরওয়ালার ঘুমের ঘোর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    যদি তুই এ ভুল দাবার
    না ভেবে করিস আবার
    তাহলে জানিস এবার
    পাবি না পথ পালাবার
    তুই বাংলা জুড়ে খুঁড়বি তখন নিজেই নিজের শেষ কবর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    ধৌত মগজ, বাঁধা অন্তর
    বিবেক বালাই ছু-মন্তর!
    নিদ্রিত জন! বন্ধক মন
    ছাড়িয়ে কাটা কুহক-ভর!
    দুষ্ট কবি তাই সজোরে নাড়ছে কড়া তোদের দোর!
    কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!

    . ***** কলকাতা ০৯/১২/২০০৭

    ReplyDelete
  15. We whole-heartedly applaud Hon Chief Minister Smt. Mamata Banerjee's order to her Govt to provide food to the people of Jangalmahal.

    This is the first time in India since the Independence, any Govt head has issued an order like this. This order is not an election gimmick like providing Rice at Rs.2 a Kilo or some thing like that.

    If implemented properly, than we will be able to say with pride, in near future, that no one goes hungry in West Bengal.


    Year after year, thousands of Tonnes of Grains rot in FCI godowns and we have a large section of the population remaining hungry, at the same time! That defys all logic of being a Free Country!

    Let us hope at least in West Bengal people do not remain hungry any more.

    She should also ensure that the money and grains do not get diverted into pockets of the usual corrupt officials and politicians!

    ReplyDelete
  16. NEWLY ELECTED GOVT OF WEST BENGAL UNDER SMT MAMATA BANERJEE'S LEADERSHIP HAS AQUIRED BACK THE ENTIRE LAND GIVEN TO TATA MOTORS BY ISSUEING AN ORDINANCE, YESTERDAY. AS PROMISED, SHE WILL BE GIVING BACK 4OO ACRES TO THOSE FARMERS WHO HAD REFUSED TO GIVE THEIR LAND IN 2006.

    WE ARE OVERWHELMED BY THIS NEWS!

    LONG LIVE SINGUR AND IT'S VALIANT PEOPLE AND THEIR LEADER!

    WE PRAY FOR ALL THOSE WHO COULD NOT LIVE TO SEE THIS DAY. THEY EITHER WERE MURDERED RUTHLESSLY BY THE FORCES OR CONTRACT KILLERS OF THE LEFT FRONT GOVT OF SRI BUDDHADEB BHATTACHARYA OR WERE FORCED TO TAKE THEIR OWN LIFE.

    ReplyDelete
  17. ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে, পশ্চিমবঙ্গ কৃষিজমি রক্ষা কমিটির ডাকা সিঙ্গুর আন্দোলনের বর্ষপূর্তির দিনে, সিঙ্গুরে গিয়ে শিশুদের মুখে বড়দের স্লোগান শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন দুষ্ট কবি | এই কবিতার তৃতীয় স্তবকটি সেবার সিঙ্গুর ঘুরে এসে লেখা হয়েছিল, সেই শিশুদের উদ্দেশে, যাদের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর সরকার, শৈশবেই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমে পড়তে বাধ্য করেছিলো |

    এই কবিতাটি একাধিকবার সিঙ্গুরে গিয়ে পাঠ করেছিলেন দুষ্টকবি । আবৃত্তির সময় সিঙ্গুরের ছেলে মেয়েরা কবির সঙ্গে গলা মেলাতেন, ঠিক স্লোগান দেবার মতো করে । আজ তাঁদের আন্দোলন সফল হতে চলেছে, এ এক স্বর্গীয় অনুভূতি !

    বল সিঙ্গুর বল সিঙ্গুর

    এই মাটি হলো বিশ্বকবির সোনার বাংলা
    এই মায়েরই মোরা সন্তান, তাই রুখছি হামলা
    এই মাটিকেই বঙ্কিম বলে বন্দেমাতরম
    বেচবো তাকে !? আমরা মোটেই নই সে নরাধম
    সাবধান রাজা ! সরাও দৃষ্টি ওই লোভাতুর চক্ষুর
    জেনে রাখো রাজা - ভরাডুবি হবে, এটা হল সিঙ্গুর
    বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর

    টাটার অর্থে যতই পোষো হার্মাদ, ওহে বুদ্ধ !
    জমি ঘিরে নিয়ে ভেবো না তুমি জিতে গেছ, এই যুদ্ধ
    মোদের রোষানলে তুমি হবে নিমেষেই ছারখার
    টাটা-সালেম-বন্ধুরা যত ছুটবে পগারপার
    ভুলো না, তুমি খেলছো নিয়ে এই জমি সিঙ্গুর
    বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর

    এক্কা-দোক্কা, ঘুড়ি-লাটাই, ডাং-গুলি গেছে ছুটে
    হেথা শিশুদের মুখেও এখন স্লোগানের খই ফোটে
    বইয়ের পাতায়, নামতার পাঠে পড়ে মুক্তির গান
    এই বয়সেই চোখে-মুখে দ্যাখো আগুনের ঝলকান্
    বড়দের সাথে তাদেরও কণ্ঠে ওঠে সেই এক সুর
    দিচ্ছি না জমি, দিচ্ছি না জমি, দিচ্ছি না সিঙ্গুর
    বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর

    ওরে কাস্তে শানা, রোখরে হানা, দুই হাতে তোল অস্ত্র
    মনে রাখ্ , এই জমিতে জ্বলেছে তাপসী নিরস্ত্র
    জীবন মরণ বাজী রেখে জমি কেড়ে নিয়ে ফের গড়্
    সবার জমি, সবার জীবন, সবার সুখের ঘর
    শারদোত্সবে, ঈদের পরবে, বাজে একটাই সুর
    দুষ্ট কবি চারিদিকে শোনে সিঙ্গুর সিঙ্গুর
    বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর

    . ******কলকাতা ২১/৯/২০০৭

    ReplyDelete
  18. জয় হ’ল! বিপুল ভোটে আমূল পরিবর্তন হ’ল মন্ত্রীসভার | তৃণমূল কংগ্রেস জোট হাজার হাজার ভোটে (বিধানসভা নির্বাচন) জিতে হারিয়ে দিল ৩৪ বছরের CPM এর দলতন্ত্রকে --- সৃষ্টি করল ঐতিহাসিক নজির, গণতন্ত্রের |

    স্বপ্ন-গল্প-কল্পনাকেও হার মানিয়ে সৃষ্টি হ’ল সত্যের ইতিহাস | আপামর জনসাধারণ এই জয়ের আনন্দে উচ্ছাসে --- উল্লাসে --- বিস্ময়ে পুলকিত হয়েছে, শিহরিত হয়েছে, ধর্মের কল বাতাসে নড়েছে |

    মমতা --- তাঁর জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়েছে, জয়ী করেছে তাদেরও যারা পরিবর্তন চেয়ে তাঁর সাথে যুদ্ধ করেছে --- লড়াই করেছে --- সঙ্গ দিয়েছে | অপূর্ব এক আনন্দের দিন দেখলাম আমরা --- স্বাধীনতার পর পুনর্বার |

    সোনালী সেনগুপ্ত
    ১৩ মে ২০১১, শুক্রবার,
    শিবমন্দির, শিলিগুড়ি

    কবি সোনালী সেনগুপ্ত-র কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন...
    মিলনসাগর

    ReplyDelete
  19. কী অপূর্ব সুন্দর উজ্জ্বল এক সকাল! যা নিয়ে এল সূর্যের আলো কে, নূতনভাবে আমাদের কাছে --- আমাদের উপলব্ধিতে --- আমাদের মনে | প্রতিটি মুহুর্ত --- প্রতিটি পদক্ষেপেই --- প্রতিটি কর্মের মধ্য দিয়ে জীবনকে উপভোগ করছি, আনন্দের মধ্য দিয়ে, গানে --- কবিতায় --- গল্পে --- রান্নাতেও | আগামী প্রতিটি দিনও হয়ে উঠুক আনন্দের, শান্তির, উজ্জ্বল সফলতায় | দেশের সর্বত্র এসেছে এই আনন্দের জোয়ার |

    সেই যে কবিতায় বলেছিলাম “দাদা, তোরা ভাল থাক” বৃষ্টি হবেই, জয় হবেই --- শুধু তোরা ভাল থাক | আজকের এই দিনটিকে আহ্বান করার জন্য, উপভোগ করার জন্য, আনন্দের বন্যায় ভেসে যাওয়ার জন্য --- তোরা সবাই ভাল থাক |

    দাদাদের - বোনটু |

    সোনালী সেনগুপ্ত
    ১৪ মে ২০১১, শনিবার,
    শিবমন্দির, শিলিগুড়ি

    কবি সোনালী সেনগুপ্ত-র কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন...
    মিলনসাগর

    ReplyDelete
  20. Paribartan, as of now, is only skin deep. To be of lasting value, I request the current Govt lead by the CM to clearly lay down a few DOs and DON'Ts for all the ruling alliance and rank and file of the concerned parties. Real Paribartan would be a socio economic revival of the State through Good Governance.
    Case in point is the reaction of the State Machinery after the recent deluge..... it was most unprofessional, specially considering that there was adequate prior information about the impending low pressure.
    The CM may consider greater participation by the Civil Society and Experts on Disaster Management.
    Col G Sikdar



    Posted by Col G Sikdar to milansagar at June 22, 2011 6:32:00 AM GMT+05:30

    ReplyDelete
  21. Thank you Sir for putting down your valued comment in our Blog.

    Hope things improve henceforth. We also have to give them some time to jarr the govt machinery of West Bengal from its 35 years long slumber!

    Yesterday we came to know, after CM Smt Mamata Banerjee's sudden visit, that Dr Rojina Khatun, the wife of Sri Mohammed Salim, a sitting CPIM MP had been occupying (about 4000 sqft) a complete ward of the Hospital "Chittaranjan Shishu Sadan" as her quarter, for last 22 years!

    It seems that as gradually, things start coming out of CPIM's closet, it will be our tur to get more and more shocked!

    ReplyDelete
  22. গত কাল টেলিভিশনের পর্দায় পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার অধিবেশনে প্রথম ভোট অন একাউন্ট চলা কালীন, সভা দেখতে ভাল লাগলো এই দেখে যে অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতা বাংলায় পড়লেন।

    তিনি তাঁর বক্তৃতায় যে সব তখ্য দিয়েছেন তা বাংলার পক্ষে সতিই অতি লজ্জার বিষয়। ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠছে যে সুদীর্ঘ সময় ধরে বাংফ্রন্ট সরকার কিচ্ছুটি না করেই সময় কাটিয়েছেন। তাঁদের একমাত্র কাজ ছিল দলতন্ত্র বজায় রাখা, যে কোনো উপায়ে। তাঁদের কাছ থেকে যে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে, তা দেখে আমরা শঙ্কিত এই ভেবে যে যদি কোনো ক্রমে তাঁরা এবারও নির্বাচনে জিতে আসতেন তা হলে বিরোধী দলগুলো এবং সাধারণ মানুষের কী হাল হোত!

    সভার অন্য একটা বিষয় খুব বিষদৃশ্য ঠেকেছে। তা হলো, মহামান্য স্পীকার এত ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করেন কেন! এটা তো সংসদও নয় যে নানাভাষার মিলনক্ষেত্র, সভাসদরা বাংলা বুঝবেন না! যতদূর জানি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বাংলা বুঝতে পারবেন সবাই।

    বাংলাভাষার উন্নতি করতে হলে এসব জায়গা থেকেই শুরু করতে হবে। ইস্কুলে বাংলা শেখাবো আর বাকি সারা জীবন বাংলার কোনো প্রয়োজন রাখবো না, এমন ব্যবস্থা চলতে থাকলে বাংলাভাষার ভবিষ্যত সম্বন্ধে প্রশ্ন থেকেই যায়।

    ReplyDelete
  23. Yesterday we got the news that 19 children(Bartaman) had died within 48 hours at BC Roy child Hospital in Kolkata.

    The Hon. Chief Minister Smt Mamata Banerjee has instituted a commitee of enquiry for that and further stated that the persons responsible will not be spared.

    But the people of the state expect a little more! General opinion is that the CM should have met the families of the dead children as a humanitarian gesture, for which she is well known. This would have surely been more reassuring to the pateint parties. We are used to seeing her rushing to the victims of any mishaps! Hence the expectation!

    We pray that like the two previous chief Ministers, Jyoti Basu and Buddhadeb Bhattacharya, she should never get sucked in to the whirlpool of bureaucratic procedures. We pray that she remains the path-breaker that she has been till now, the usherer of Ma-Mati-Manush movement in India.

    We do realise that the present situation in the Govt hospitals of West Bengal is not the creation of the present govt. Every one knows that it is the doing of the Previous Left Front Govt.

    The previous Health Minister of The ousted Left Front Govt, Dr Surya Kanta Misra, who is the present leader of opposition in the state assembly, (was also the mister for Panchayats), was so busy looking after the Panchayat raj(read Party Raj) that he made a mess of whole health system in the state.

    It seemed that the CPIM had a discreet understanding(!?) with the Health Sector investors in the state! The understanding seemed to go like this --

    That the govt would make the health system so bad that people would be left with no choice but to go to private Hospitals for treatment! So that the Private Hospitals could make great profits! A great understanding indeed!

    Hospitals (and every thing and anything belonging to the Govt of WB) belonged to the CPIM Party Cadres! Not to the people of the state!

    ReplyDelete
  24. This is in connection with the Tista River water treaty with Bangladesh.

    We fully endorse the stand taken by the Chief Minister Smt Mamata Banerjee.

    For her, the interest of the state came before personal friendship, Unlike Jyoti Basu who had agreed to Ganga River water sharing many years back.

    But now we Indians must give something substantial to Bangladesh so that PM Sheikh Hassina's hands are strengthened. She has always been a friend of India. This action of not having the Tista River agreement will only strengthen the hands of anti Indian fundamentalist forces in Bangladesh. We appeal to the CM to look into this angle too.

    It is alleged that Jyoti Basu had agreed to such a agreement (Ganga water shareing) after the then Bangladesh govt and the Indian Govt assured the safe keeping of his ancesterial house and property in Banladesh.

    We do not know whether the allegation is true or not. But Jyoti Basu's life and works (or no works!) was such that not many people would disagree!

    To read the deeds and misdeeds of Jyoti Basu, click here.

    ReplyDelete
  25. milan tumi ja bolecho, ja likhecho sob sotti. mamata ke amra enechilam 34 bachare bamer name manushke soner birudghet hatier hisabe. ekhon dekho matro 4 monthe or mukhosh berie poreche, budhijibira or dassotto swikar koreche. eeta je eto tara tari habe vabini, jungle mahal jure joutho bahini, voirab bahini, saloa judum suru holo. ASIMGIRI

    ReplyDelete
  26. আমরা কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান, যুগ্ম কমিকশনার (ক্রাইম) দময়ন্তী সেন কে জানাই আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, এত কম সময়ে “পার্কস্ট্রীট ধর্ষণ মামলা"-র কিনারা করে দেওয়ার জন্য। তাঁর নাম আজ অবধি কোন নেতিবাচক কুকর্মের সঙ্গে যুক্ত, এমনটি আমরা দেখতে পাইনি। বলা বাহুল্য, তিনি কাজ করেছেন প্রচণ্ড চাপের মুখে। সেই চাপের উৎস স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর উক্তি। এক সময়ে আরও একজন মহিলা পুলিস অফিসারের নাম আমরা শ্রদ্ধার সাথে মুখে আনতাম। তিনি কিরণ বেদী। বর্তমানে তিনি অন্না হাজারের ভ্রষ্টাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

    দময়ন্তী সেনেরই তৎপরতায়, দেরীতে কেস হাতে পাওয়ার পরও এই হতভাগ্য অত্যাচারিতা রমণী ন্যায়বিচার পেতে চলেছেন এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁরই তৎপরতায় তিনজন নিরপরাধ যুবক চুড়ান্ত দুর্নামের ভাগিদার হওয়া থেকে রেহাই পেলেন।

    আমরা এই কেসের উপর নজর রেখেছিলাম, এবং এই নারী ও নিরপরাধ যুবকদের অসহয়তার কথা ভেবে হতাশ হওয়া ছাড়া আর আমাদের এতদিন কোনো গতি ছিল না। তার কারণ মূলত পুলিস-প্রশাসেনর অমানবিক ও অদরদী ব্যবহার, এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উক্তি, যাকেও অমানবিক, অদরদী এবং হঠকারী বললে কি ভুল বলা হবে ?

    বাণতলা কাণ্ডের ধর্ষীতাদের উদ্দেশ্যে প্রয়াত ও এরই মধ্যে প্রায় বিস্মৃত তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর উক্তি “এরকম তো কতই হয়”, আমরা এখনও ভুলতে পারি নি। সেই উক্তির সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাজানো গল্প” উক্তিটির কতটা পার্থক্য ? আমি তো বলবো এই উক্তি আরও অসংবেদনশীল, কারণ এই উক্তিটি আমরা পাচ্ছি একজন নারীর কাছ থেকে অন্য এক নারীর সম্বন্ধে, যিনি চূড়ান্ত অপমানের কথা অগ্রাহ্য করেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই “পরিবর্তনের” প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারে আশায় এগিয়ে এসেছিলেন।

    আজ নারীজাতির মুখরক্ষা করলেন একজন নারীই। তবে তিনি অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। তিনি দময়ন্তী সেন।

    আমার ভাবতে অবাক লাগছে, এ কোন “দিদি"কে আমরা দেখছি ! তাঁকে দেখেই এক সময়ে, একালের চারণকবি-শিল্পী অসীম গিরি গেয়েছেন “মমতা আপনি লড়ুন”! তাঁর আগুন-ঝড়ানো আন্দোলনই কবীর সুমনকে বাধ্য করেছে “শালবল্লার বেড়ায় আগুন”-এর মতো গান রচনা করতে! তাঁর আন্দোলনই কবি রাজেশ দত্তকে বাধ্য করেছিল “মাটি আমাদের প্রাণ”-এর মত গান লিখতে! ভবিষ্যতে যখন সাহিত্যের দরবারে মূল্যায়নের সময় হবে, আমি নিশ্চিত যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আন্দোলন থেকে উঠে আসা গান ও কবিতা, যাকে আমরা এখন “সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের কবিতা ও গান” বলি, তার সঠিক মর্যাদা পাবে বাংলা সাহিত্যে, যা এর পূর্বসূরীদের থেকে কোনো অংশে কম হবে না।

    বাংলার সাধারণ নির্যাতিত মানুষের মনের কথা, দুষ্ট কবি লিখেছেন . . .

    (দিদি)
    তুমি ফিরে এসো
    ফিরে এসো আমাদেরই মাঝে
    এখনো সময় আছে
    সূর্য এখনো আছে
    মাঝ-আকাশের এইপাশে
    ফিরে এসো এদিনের
    তাপসীর বুকফাটা কান্নায়
    শিশুহারা মায়েদের বাঁধভাঙা
    অশ্রুর বন্যায়
    ফিরে এসো সেদিনের
    অবিচার অন্যায়
    মুছে ফেলা অগ্নিকন্যায়
    আরবার ফিরে এসো
    দুষ্ট কবির সেই অখ্যাত
    কবিতার আঙ্গিনায়

    ReplyDelete
  27. আমরা ধন্যবাদ জানাই স্টার আনন্দ, ২৪ ঘন্টা এবং সেই সব টিভি চ্যানেলকে যাঁরা প্রশাসনের ভুল ইঙ্গিত সত্বেও তাঁদের নির্ভিক সাংবাদিকতা চালিয়ে, সেই অত্যাচারিতা নারীর পাশে থেকেছেন। সেই কথা অবশ্য আমরা কলকাতা টিভি ও চ্যানেল ১০ এর সম্বন্ধে এখন বলতে পারছি না। এঁরাই একদিন অত্যাচারিত সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামবাসীদের কথা আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন! আপনাদের আত্মসমালোচনার সময় এসেছে, যে কেন আজ তথ্য ভিত্তিক তদন্ত না করেই কোন এক পক্ষকে সমর্থন করা শুরু করলেন!

    ReplyDelete
  28. পার্কস্টীটের পরে এল কাটোয়ার ধর্ষণ মামলা। এখানেও মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী বললেন বিরোধী দলের চক্রান্ত! কিন্তু দেখা গেল যে যাঁরা সেই নির্যাতিত রমণীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তাকে নিয়ে থানা-পুলিস করেছিলেন তাঁরা বর্তমান শাসক দলেরই। এবং তাঁদের সত্কর্মের জন্য তাঁরা নাকি দলের উপরতলার রোষে পড়েছেন। খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যাঁরাই ভাল কাজ করতে চাইছেন তাঁরাই কোনো না কোন ভাবে হয় তিরষ্কৃত হচ্ছেন বা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সে কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান দময়ন্তী সেনই হোক বা বনপালই হোক বা কাটোয়ার সেই সহৃদয় তৃণমূল কর্তাই হোক।

    আমি সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় প্রচুর ঘুরেছি। এবং তত্কালীন বিরোধী দলের মানুষের সাথে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটার সুযোগ হয়েছে। একটা জিনিষ বলতে পারি যে সেদিনের নিচুতলার তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এক ইতিবাচক মানসিকতা ছিল। তাঁরা মার খেতেন, তবুও দিদির জন্য তাঁরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলেন। সে সব মানুষেরা আজ হতোদ্দম। এখন যাঁদের দেখা যায় তাঁরা হঠাত্ যেন কোথা থেকে এসে বসেছেন! তাঁদের সে সময়ে দেখি নি। তাঁদের অনেকেই সে সময়ে শাসকদলের হয়ে ওই তৃণমূলীদের শায়েস্তা করতো! কয়েকটি সংবাদপত্রেও এরকম লেখা হয়েছিল অনেক আগেই। যাঁদের এখন লাল-তৃণমূল বলা হয়!

    শাসক দলের আরও সংযত হওয়া উচিত। পুলিসও যেন নিরপেক্ষ থাকে। তা না হলে বুদ্ধবাবুর সরকারের সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের তফাত্টা কোথায় ? আজ হাইকোর্টে এই সরকার তিরষ্কৃত হয়েছে বর্ধমানের সিপিএমের দুই নেতার খুনের মামলায়। এটা কি বার্তা বহন করছে ?

    ReplyDelete
  29. বর্তমান সময় কে নিয়ে দুষ্ট কবির একটি কবিতা . . .

    বেনোজল ঢুকলে পড়ে হয় যে কি তা দ্যাখ্ রে সচোক্ষে,
    ব্যাবধান বনবাদাড় আর বসতবাড়ীর ঘুচায় সমক্ষে।
    বেনোজল শনির প্রকোপ, কলির গরাস, জানিস এ সত্য,
    বরগা-কড়ি ঘুন-ধরা সব, ধ্বসবে সতত, ভিত যে অপোক্ত।
    গলবে মাটি, পচবে লাঠি, ভেসে যাবে দেওয়ালেরই ইট,
    পোক্ত হবার আগেই ঢুকে, বেনোজল খাবে রে তোর ভীত।
    রইবি না তুই, রইবে না তোর সাধের খেলাঘর,
    বেনোজল-বানে ধুয়ে হবি যে তুই, হবিই রে বেঘর।
    ভাবিস নে তুই এ জল দিয়ে ফলবে সোনার ধান,
    ভাবিস নে তুই এ জলে তোর হবে পুন্যস্নান।
    (এ) বানের গ্রাসে মিটবে রে তোর তিলে তিলে গড়া এ ভূবন,
    বেনোজল বাঁধরে ত্বরা, নইলে তোদের সমুহ পতন।
    মূক সেজে দুষ্ট কবির সইবে নারে সে দরশন,
    শুনতে ভাল লাগবে না তোর, তবুও তুই শোন।

    ReplyDelete
  30. হাওয়াটা বড্ড ভারী হয়ে গেল! তাই দুষ্ট কবির একটা ছড়া . . .

    বান ডাকে বাংলার নদী নালা জুড়ে
    যেথা সেথা বেনোজল ধেয়ে ঢুকে প’ড়ে
    হাত দিয়ে মস্তকে ভাবে বাংগালি
    এত জল এতদিন কোথা ছুপে ছিলি !?
    দুষ্ট কবি বলে আর ব’সে লেখে
    শাসকের দলে সদা এই জল ঢোকে!

    ReplyDelete
  31. জল-জমি-জঙ্গল চেটেপুটে খাও।
    গরিবের সম্বল লুটেপুটে নাও।
    প্রতিরোধ গড়লেই জেলে পুরে দাও।
    ‘মাওবাদী’ বলে আগে তকমা লাগাও।
    বলো, এরা ‘মাও’, ওরা ‘মাও’!
    সব বিরোধীরা ‘মাও’!
    পুলিশে-ক্যাডারে রাখো কড়া নজরে।
    প্রতিবাদ রুখে দাও ট্রিগারের জোরে।।

    চৌত্রিশ বছরের ‘লাল সন্ত্রাস’
    ঘুচে গেছে বলে যারা ফেলেছিল শ্বাস,
    ঝুটা ‘পরিবর্তনে’ বড়ই হতাশ।
    ‘বিষাক্ত ফুলে’ দেখে ভরে গেছে ‘ঘাস’।
    ভৈরবী তাণ্ডব চলে ঘরে ঘরে।
    শাসকের নাশকতা ট্রিগারের জোরে।।

    স্বৈরাচারীর মুখে ‘শান্তির বাণী’!
    ‘আইনের শাসনে’র নামে খুনোখুনি।
    লাল-নীল জামা গায়ে আসে রাজা-রানি,
    বদলায় না তো চেনা রাজ-কাহিনী।
    মিডিয়া মেলায় গলা রাষ্ট্রের সুরে।
    গণবিক্ষোভ রোধ ট্রিগারের জোরে।।

    কর্পোরেটের সেবা করে সরকার।
    লোভী পুঁজিপতি গড়ে লাভের পাহাড়।
    মেকী ‘উন্নয়নে’র মিথ্যা প্রচার।
    বঞ্চিত-শোষিতের বৃথা হাহাকার।
    ‘মা-মাটি-মানুষ’ আজও ভুখা পেটে মরে।
    অধিকার কেড়ে নাও ট্রিগারের জোরে।।

    ভোটের ‘প্রতিশ্রুতি’ বেনোজলে ভাসে।
    ‘মানবিক’ মুখোশটা পড়ে গেছে খসে।
    দানবের হুংকার মসনদে বসে।
    বিষাক্ত কালসাপ ফণা তুলে ফোঁসে।
    শ্মশাণের শান্তিতে শকুনেরা ওড়ে।
    ভয়ের শাসন জারি ট্রিগারের জোরে।।

    মুখোশটা বদলায়, মুখগুলো নয়।
    কাল ‘হার্মাদ’, আজ ‘ভৈরব’ হয়।
    মৃত গণতন্ত্রের লাশ পড়ে রয়।
    তবু করজোড়ে বলো ‘শাসকের জয়’!
    রাজবন্দীরা মাথা কোটে কারাগারে।
    কণ্ঠ স্তব্ধ করো ট্রিগারের জোরে।।

    -- রাজেশ দত্ত, এই গানটির রচনাকাল-২৪ নভেম্বর ২০১১

    ReplyDelete
  32. আমরা কবিকে ধন্যবাদ জানাই কবি কাঞ্চন কুমারের সম্পাদিত, সম্প্রতি প্রকাশিত "যুদ্ধে ছিলে স্বপ্নে আছো" কাব্য সংকলন থেকে তাঁর এই কবিতাটি এখানে তুলে দেবার জন্য।

    ReplyDelete
  33. Rail Budget!

    Railways Mister Dinesh Trivedi is being sacked by TMC leader Mamata Bandyopadhyay for his "Forward Looking" (as per PM) Railways Budget!

    Apparently every one is shocked at this episode! People are annoyed with Mamata Bandyopadhyay. But if we carefully go through the whole budget then we will see that there is another point in this budget which is very detrimental to the federal structure of the Union of India. That is ...

    There will be instituted an independent regulatory body which will decide the future pricing of the Railways services!

    If you stop to think then you will see that this proposal has Congress Party's foot prints stamped all over it! This Party has always tried to assume all the powers at centre, as far as possible from the States, so that the States may always be subservient to the Centre.

    When ever they found that they had some difficulties with their manoeuvrability in Indian Politics, they changed the Law! A classic case for example was Changing of the office of the Chief Election Commissioners to a 3 member Bench, after T.N. Seshan nearly stopped all hooligans from standing for Elections.

    Now back to the Railway Budget, once this regulatory authority is established, it will take away all powers from the Railway Minister in deciding the Fares. Henceforth this authority will decide the Fares in accordance with the Market Forces (read Congress Party or the Union Govt.), caring little or nothing for the poor common citizen of India.

    Congress has realised after a decade that in present day coalition politics, they will perhaps never be able to get the Railway Ministry. This will most likely be always with some Regional party or other. So they want to gain control over the Railways by instituting a Regulatory Board.

    Why did Mr Trivedi not consult his party and Leader Mamata Bandyopadhyay, before presenting the Railway Budget in the House is a mystery, which makes people see the hand of Congress Party and its trouble shooter, incidentally another MP from the same province! But we believe that Mr Trivedi’s suggestion for increasing the fares (actually too little!) is very much justified.

    In our opinion the increase in Railway Passenger Fares, in the form presented by the Minister, is very much justified and should be allowed to be passed. But in no case should another regulatory body be allowed to be constituted for fixing the Fares.

    ReplyDelete
  34. Yesterday, the West Bengal Govt issued an order directing all Govt aided Libraries (which may be almost all the libraries in the state!) to buy Newspapers only from a list prepared by the WB Govt. The list consists of the following Newspapers:
    1. Sambad Pratidin (Bengali)
    2. Sakalbela (Bengali)
    3. Khabar 365 (Bengali)
    4. Ekdin (Bengali)
    5. Dainik Statesman (Bengali)
    6. Sanmarg (Hindi)
    7. Akhbar-e-Mashrik (Urdu)
    8. Azad Hind (Urdu)

    The main reason for this is that they wanted to stop these libraries from buying newspapers published by various political parties. It is certainly a very noble venture!

    But this venture turned out to be very over-ambitious for the following reasons:

    1. We do not find the names of many of the leading non-partisan (well, not always!) newspapers of the state such as Ananda Bazar Patrika (Bengali, with highest circulation in the state and perhaps in the whole country), Bartaman (Bengali), Aajkal (Bengali), The Telegraph (English), The Statesman (English), Times of India (English), Indian Express (English) and a host of others. Is it because these papers published news about the mishandling of the cases especially various rape cases, by this govt, without mercy towards the Govt and with full mercy towards the victims (ordinary citzens)? Is it because the Press was critical of the Govt actions?

    2. The list does not have any English newspaper! Perhaps that will not cause significant loss of votes for the ruling party! The list has only one Hindi newspaper as compared to 2 of Urdu! There is clearly a massage to the Muslim community in this! And is as clear as daylight! Vote for us ONLY!

    3. Aajkal is known for its left(CPIM) leanings. In fact there is a saying that it is the keybook to “Ganashakti” the party mouthpiece! “আজকাল” নাকি “গণশক্তি”-র মানে বই! Therefore its exclusion from the list by TMC dominated WB Govt can be understood!. By the same logic we can safely say that “Sambad Pratidin”, the first name in the above list, is the key book to “Jago Bangla” the mouth piece of Trinamool Congress, the ruling party in the state! So why has this name been included?!

    Most important is the intent of the government in making the people read what it feels to be right! That is precisely what the people wanted to remove from the state, by voting the CPIM out of power after 35 years of tyranny.

    After PARIBARTAN (Change!), first we were made to sing, play and listen to only Rabindra Sangeet in public places which practically stopped all other type of songs unofficially. And now this!

    It is indeed a form of censorship! I strongly condemn this move. That is how Fascism begins, isn’t it !?

    ReplyDelete
  35. Yesterday we witnessed a very rare sight in the Lok Sabha!

    All parties were united up against their common enemy – Team Anna!

    Why? Because Arvind Kejriwal had said that there were 162 MPs who had criminal proceedings pending against them and that there there was little chance that Lokpal Bill will be passed! The MPs (Cutting across party lines) felt that Mr Kejriwal had insulted the institution of Parliament! And hence must be punished! But Mr Kejriwal remained defiant .

    I feel Mr. Kejriwal merely stated what is an absolute truth. That there are 162 MPs who had criminal proceedings pending against them! What was wrong in that? More over, many parliamentarians were dead against the Bill was very clear from the debate in the House, which I happened to sit through the entire session in front of TV during previous Lok Sabha session. The way Mr Lalu Prasad Yadav had said during his speech in the house “… hum rowab se raj karenge” made be believe, how strongly he feels that it was his right to “rule” the people of this country, and he would tolerate no ordinary Indian to pass any remark on the actions of the parliamentarians. It was almost “regal” or perhaps “divine”! It seems he feels that once the voting is over the people have no right to say any thing about the MPs!

    With so many tainted MPs, can we not say that the Election process is gravely flawed. And that the Election Commission is not as effective as it should have been. I miss Mr TN Seshan.

    I feel Mr kejriwal is justified in what he said. Anna Hazare’s movement must be supported to get rid of criminals getting elected to Parliament along with good people.

    I had sent a mail to the CEC long ago suggesting an extra button on the EVMs which will say “Vote for None on this list”. Later I found that Anna Hazare’s team have a similar demand. I fully support this movement.

    ReplyDelete
  36. IS THIS THE PARIBARTAN WE WANTED ?

    Here is a letter from Rajesh Dutta(Next entry) about forceful eviction in Nonadanga. Just Dont read and go away! you can also comment here! Just to remind you all that you may also comment here just like in Face Book. And you are free not to register or sign in or sign up! You may also comment as Anonymous!. . . . .

    ReplyDelete
  37. Demonstrators against Slum Evictions arrested in Kolkata: A synopsis of the incidents

    Yesterday (9 April) a protest rally under the banner of ‘Uchchhed Pratirodh Committee’ (Anti-eviction Committee, a common platform of the evictees of Nonadanga and various mass organizations), demanding rehabilitation for dispossessed people in Nonadanga and release of the arrested protesters was to be held at 1 pm from College Square to Writers’ Building. But police prevented the rally to start even and arrested 50 men, 36 women and 4 children accompanying their mothers. They were taken away by 5 prison vans. The rest of the protesters started sit-in there in college square, in front of the Vidyasagar statue and a gathering of various activists began. Engaging in activities like sloganeering, addressing the local masses, pestering, etc., the College Street protest continued till 8:30 pm, until those 86 arrested men and women were released on bail.

    Earlier on Sunday (8th April, 2010) a day long sit-in demonstration to protest against Nonadanga slum demolition and forcible eviction of slum dwellers and seeking their proper rehabilitation was scheduled at Ruby Crossing, EM Bypass of Kolkata. The peaceful demonstration was broken by the Kolkata police, who alleged the assembly as ‘illegal’ despite having granted prior permission. 69 protesters of ‘Uchchhed Pratirodh Committee’ (Anti-eviction Committee of Nonadanga) were arrested and taken to Lalbazar police station, including women and kids. A nine-year-old girl child (Manika Kumari, daughter of Dilip Shaw) was also in the lock-up for 9 hours violating the Juvenile Justice (Care & Protection of Children) Act. which starkly reminds us Payel Bagh case of Singur land struggle in the former left-front regime Arresting police also deliberately did not issue Memo of Arrest for anybody at the time of arrest.

    Cases under section 151 are being slapped on the detainees. Later on at night (around 8.30 pm) all captives were released on PR bond, one by one in presence of APDR members and other activists through the rear gate of Lalbazar police station except 7 mass activists. The activists in confinement are Deblina Chakraborty, Debjani Ghosh, Abhijnan Sarkar, Partho Sarathi Ray, Siddhartha Gupta, Manas Chatterjee and Shamik Chakraborty. They have falsely been charged with a number of non-bailable criminal cases fabricated by the police. When the released activists and others assembled at the spot became agitated at this unexpected development, they were forced to leave the area by a huge contingent of aggressive police force. APDR members went to the central gate of Lalbazar to speak to the officer in charge and lodged a protest. They were told by the officers on duty that the seven activists had been charged under various sections including sec. 353, 332, 141, 143, 148 and 149 IPC and would be produced at the ACJM court, Alipore, on 9 April, 2012 (Monday).

    Those arrested civil rights activists have also been accused as ‘Maoists’ by the TMC led state government and a section of corporate news media.

    Bravo! The 'Operation Green Hunt' theory is now being applied in the city as 'Operation Slums Hunt' by the fascist ruler to evict poor marginal people for big corporate’s plunder! As Partho Sarathi Ray of ‘Sanhati’ rightly wrote in an article, “The government of “maa, mati, manush” of Mamata Banerjee has shown its true colours, evicting the “manush” (people) from the “mati” (land) and beating up the “maa” (mother), all in order to hand over the commons land of Kolkata to the corporate land sharks in the best traditions set up by the former CPI (M)-led government.”

    All the 7 activists, who were arrested on Sunday (8 April 2012), have been remanded to police custody till April 12, after being produced in court yesterday (9 April).

    Rajesh Dutta

    (Continued below)

    ReplyDelete
  38. On 30th March, TMC government forcefully evicted around 300 poor families from the Nonadanga slum area in the name of ‘development’ of Kolkata. Their shanties were ruined, razed to ground and set on fire by the Kolkata Metropolitan Development Authority (KMDA). For the last one week, the homeless slum-dwellers have been staying in an open field under the scorching sun and the blinding rain, facing police repression, but have refused to move away. But their demand has failed to bring any kind attention of the government.

    On 4th April, 2012 (Wednesday) the Kolkata police alongwith a gang of ruffians (supposedly the ruling party cadres who were without police uniforms) viciously lathi-charged on the dispossessed slum-dwellers while they organized a protest march. A huge police force attacked the protesters and started beating everyone ruthlessly, including women and infants, without any warning. There was not a single female constable. Rita Patra, a pregnant woman was seriously injured in the lathi-charge. 10 persons including a baby boy and 2 girls, in their early twenties, were severely hurt. Nevertheless people’s spirits are high. The movement will go on.

    I strongly condemn and protest against such barbarous state terrorism and demand unconditional and immediate release of all mass activists with annulment of all charges fabricated against them and adequate compensation, proper rehabilitation and protection for the evicted families of Nonadanga and exemplary punishment of all the police personnel culpable for the brutal atrocities on the evictees including women and minors. I sincerely appeal to all conscious and humane citizens to condemn and protest against such fascist attack on peaceful mass movement by the West Bengal government which is a gross violation of democratic constitutional right.

    Please raise your voice of protest against the brutal atrocities by the state.

    Please save Nonadanga, resist the eviction, join the movement and inform others.



    Regards,
    In solidarity,


    Rajesh Datta

    Chandannagar

    Phone- 033-2683 4357

    ReplyDelete
  39. মিলন সেনগুপ্তJune 14, 2012 at 9:53:00 AM GMT+5:30

    সবাইকে নমস্কার জানাই।
    বহুদিন পর আবার এখানে আসার সুযোগ পেলাম।

    এর মধ্যে হুগলী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। পরিবর্তন এবং প্রত্যাবর্তন নিয়ে কাজিয়া তুঙ্গে উঠে যেন এখন খানিকটা ভাটার টানে আচ্ছন্ন! গতকাল দেখতে পেলাম আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুলায়েম সিং যাদবের মিলিত উদ্যোগ, রাষ্ট্রপতি ভবনের পরবর্তী আাবাসিকের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে!

    এবার দেখছি অনেক প্রার্থী! গতকালই পাঁচজনের নাম উঠে এল। দিদি জানালেন (কংগ্রেসের মুখপাত্র হয়ে!) যে কংগ্রেসের পছন্দ প্রণব মুখার্জী এবং শ্রী আনসারি। তার পর উঠে এল দিদিদের পছন্দের নাম! প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কালাম, বর্তমান প্রধাণ মন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং ও প্রাক্তন লোকসভার স্পিকার শ্রী সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। মাঝে মাঝে আমাদের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নামও উছে আসছিল।

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে এটা মনমোহন সিংকে সসন্মানে সরানো এবং প্রণব মুখার্জীকে কাটিয়ে দিয়ে অন্য কাউকে ওই পদে নিয়ে আসার এটা কংগ্রেসীদেরই একটা চাল। তাঁরা তাঁদের বন্ধুদলের কাঁধের উপর রেখে এই বন্দুকটি চালালেন!

    আমাদের প্রাপ্তির মধ্যে যা দেখতে পারছি তা হল এই যে প্রণব মুখার্জী মোটামুটি বাদ পড়ে গেলেন। এটা বাংলার জন্য অত্যন্ত সুখবর! দিদিকে অবশ্যই তার জন্য উচিত আমাদের ধন্যবাদ দেওয়া! যদি মনমোহন সিং প্রধাণ মন্ত্রীর পদ থেকে সরে রাষ্ট্রপতি হন তাহলে অন্তত পদমর্যাদা সঠিকভাবে প্রযোজ্য হবে! মানে উনি নামেই প্রধাণ মন্ত্রী, কিন্তু কাজে কর্মে ওনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা সিং পাটিলের কাজের কি কোনো তফাৎ আছে ?!
    এত ঠুটো প্রধাণ মন্ত্রী দেবগৌড়াও ছিলেন কি না সন্দেহ!

    দুষ্ট কবির একটি ত্রিপদী ছড়া এখানে দেওয়াই চলে:-

    মনমোহন সিং, প্রধাণ মন্ত্রী, ---- অর্থনীতির মহান যন্ত্রী,
    . সবাই পুলকিত তাহা ভাবি |
    তাঁহার মুখে একই বাণী, ---- সেনসেক্স এর জয়ধ্বনি,
    . যেন উহাই দেশের এক মাত্র ছবি ||
    ইহার উপর অন্তরাত্মা, ---- কাড়িয়া লইছে সকল পাত্তা,
    . তাঁহার কেবল থাকে পুঁজির স্তুতি |
    তাহাই নিয়া খুশি বেজায়, ---- সকাল সন্ধ্যা হাতড়ে বেড়ায়,
    . অর্থনীতির সূক্ষ্ম পরিস্থিতি ||
    এদিকে তাঁর জনগণের, ---- ওষ্ঠাগত জীবন মানের,
    . ভ্রান্ত নীতির যূপকাষ্ঠে বলি |
    কিষাণ করছে আত্মহনন, ---- শাসক লুঠছে প্রাণ-মান-ধন,
    তিনি ভাজেন বিশ্বায়ণের কলি ||

    ReplyDelete
  40. মিলন সেনগুপ্তJune 16, 2012 at 9:05:00 AM GMT+5:30

    রাজনীতিতে কোনো কথাই শেষ কথা নয়! মনে হচ্ছিল যে প্রণব মুখার্জী দৌড় থেকে বাদ পড়ে বাংলাকে খানিকটা স্বস্তি দিয়ে যাবেন! কিন্তু কংগ্রেস! তাদের যাবতীয় কৌশল দিয়ে মুলায়েম সিং যাদবকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে বাধ্য করলো! মিডিয়াতে শোনা যায় নাকি একাধিক সি.বি.আই. এনকোয়ারি চালু রাখা হয়েছে মুলায়েম এর বিরুদ্ধে! সেগুলোকে এরকম সময়ে ঝুলি থেকে বার করে দেখানো হয়!

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন যে মুলায়েম কে বিশ্বাস করলেন কে জানে! এদের মত নেতাদের জন্যই হিন্দী বলয়ে "আয়া রাম গয়া রাম" কথাটি প্রযোজ্য করা হয়ে থাকে! দেখা যাক তিনি আর কি করে প্রণব বাবুকে আটকাতে পারেন! যদি পারেন তাহলে বাংফ্রন্টকে সরানোর পরে এটাই তার সবচেয়ে বড় "ভাল কাজ" হবে!

    অনেকেই বলছেন যে প্রণববাবুর রাষ্ট্রপতি হওয়া বাঙ্গালীর গর্বের ব্যাপার! আখের গুছানো, ধান্দাবাজ ও স্বার্খপর টাইপের বাঙ্গালী ছাড়া এ কথা আর কারই বা মনে হবে!! আমার তো তা কোনো দিন মনে হয় নি। বরং উল্টোটাই মনে হয়েছে। বাংলাকে পদে পদে বিপদে ফেলার যদি এই পুরস্কার হয় তাহলে আর কি করা যাবে। যথারীতি বামফ্রন্ট নাকি এখন ভাবছে প্রণববাবুকে সমর্থন করার কথা! ভাই ভাইএর সম্পর্ক নিয়ে বাংলায় একটা কথা আছে না!

    বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো এই যে, ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পরে, সোনিয়া গান্ধীর স্বামী রাজীব গান্ধীর জমানায় প্রণব বাবু এতই বিরাগভাজন হয়েছিলেন যে তাঁকে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসতে হয়! তিনি নিজের একটি দল গড়ে নির্বাচন লড়েছিলেন! বলাবাহুল্য তখন তাঁর দলের সবারই জমানাত বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়! সেই রকম পরিস্থিতি থেকে প্রণববাবু এখন কংগ্রেসের এবং রাজীব গান্ধীর বিধবা সোনিয়া গান্ধীর সবচেয়ে পছন্দের মানুষ হতে পেরেছেন, এটা কি একটা আশ্চর্যের বিষয় নয়! এই কৃতিত্ত্ব অবশ্যই প্রণব বাবুর পাওনা!

    নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য (তিনি কি রাশিয়ার গুলার্গ-এ বন্দী অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন ?!) শ্যামাপ্রসাদ ও ফিরোজ গান্ধীর অকাল মৃত্যু, লালাবাহাদুর শাস্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু, ললিত নারায়ণ মিশ্রর হত্যা, কত ঘটনারই আমরা কোনো ব্যাখ্যা পাইনি! এসবের জন্য দায়ি কে বা কারা, এ কথা কেউ হলফ করে বলতে পারবে না কারণ কারও কাছে কোনো সাক্ষী প্রমাণ নেই! ফলে কত কি ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা আমরা কোনোদিন পাবো না!

    ReplyDelete
  41. মিলন সেনগুপ্তJune 20, 2012 at 3:44:00 PM GMT+5:30

    শোনা গেল যে প্রণববাবু নাকি দিন দুই আগে বাল থ্যাকারে কে ফোন করেছিলেন তাঁর সমর্থন পাওয়ার জন্য। বাল থ্যাকারেও প্রণব বাবুকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছেন। যতদূর জানি বাবরী মসজিদ ভাঙার পেছনে এই বাল থ্যাকারের শিবসেনার করসেবকদের বড় একটি ভূমিকা ছিল! শিবসেনার মত একটি মৌলবাদী দলের সঙ্গে এভাবে সংযোগ রাখা যদি ঠিক হয় তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো এক সময়ে কংগ্রেস-সিপিএম এর বিরুদ্ধে লডাই করার জন্য বিজেপির সঙ্গে গিয়ে কি অন্যায় করেছিলেন ?

    মৌলবাদীদেরও ভোট যে মানুষ ছাড়তে নারাজ, এই নির্বাচনে...!

    ReplyDelete
  42. মিলন সেনগুপ্তJune 20, 2012 at 4:05:00 PM GMT+5:30

    এইমাত্র স্টার আনন্দে দেখতে পেলাম যে কবির সুমনকেও প্রণববাবু ফোন করেছিলেন! কবির সুমন জানালেন যে প্রণববাবুকেই তিনি ভোট দেবেন! এবং তাঁর মতে এই মুহুর্তে প্রণববাবুর মত "যোগ্য ব্যক্তি" আর কেউ নেই! তাঁকে কালামের কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন যে কালাম অতি সুন্দর ব্যক্তি কিন্তু তিনি একবার রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তা ছাড়াও হাইড্রোজেন বোমা তৈরীতে তাঁর কিছু অবদান ছিল... এরপর তিনি কথাটা শেষ করলেন না! মনে হল যে তাতেই কালাম সাহেবের সব যোগ্যতা ফুরিয়ে গেল! তিনি কালাম সাহেবকে আর প্রণব বাবুর সমান মনে করছেন না! তারপর যৌথবাহিনী সড়ানোর জন্য তাঁর লড়াইয়ের কথা বললেন!...

    যে ভাষায় তিনি প্রণববাবুর গুণগান করলেন এবং রাজ্যকে আর্থিক সংকট থেকে উদ্ধার করার কোনো চেষ্টা না করার জন্যও ক্লিন চিট্ দিলেন তা বেশ মুখরোচক ছিল!

    ReplyDelete
  43. এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে দুষ্টকবির একটি ছড়া...

    প্রণববাবুর পোঁ ধরেছেন
    কবীর সুমন দাদা
    দিদির যাত্রা চটকে দিতে
    তাঁকেই ভোটটা বাঁধা!

    .....ছড়ার বাকিটা এবং আরও ছড়া পড়ুন মিলনসাগর-এর ছড়ার দেয়াল "দেয়ালিকা"য়

    ReplyDelete
  44. সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলা কালীন ৫/১/২০০৭ - ২৩/৩/২০০৭ তারিখের মধ্যে লেখা দুষ্টকবির "সিঙ্গুরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে" কবিতার একটি অংশ আমরা তুলে দিচ্ছি . . .

    শ্রীযুক্ত প্রণব মুখার্জী, তাহার কাছে মোদের আর্জি,
    হে মহামন্ত্রী প্রবর |
    রাজ্যে দলের যে দুর্দশা, মানুষেরই বা কি প্রত্যাশা,
    কিঞ্চিত্ রাখেন কি সেই খবর ||
    রাজ্যে বিরোধীর ভেক ধরিয়া, কেন্দ্রে বামের গলা জড়াইয়া,
    রচিয়াছেন এক নয়া ভেল্কি জবর |
    সাধে কি নিন্দুকে বলে, আল্লাই জানেন কি কি হলে,
    বিরোধী থেকেই খুশি ত্রিশ বছর ||
    ভেবে কূল নাহি পাই, রাজ্যে যাদের জমি নাই,
    কেন্দ্রে কেমনে পাও এত কদর |
    বাংলায় দলকে নিরস্ত্র রাখার, হাই কম্যান্ডের এ পুরস্কার,
    দুষ্ট কবি শঙ্কা করে বসে দিনভর ||


    পুরো কবিতাটি পড়তে এখানে ক্লিক্ করুন...

    ReplyDelete
  45. গতকাল সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ আইনকে "অসাংবিধানিক" আখ্যা দিয়েছেন মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট।
    মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন তাঁরা রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টে যাবেন।

    আমরা সিঙ্গুরের মানুষের মনে কথা বুঝতে পারছি। এতদূর তাঁরা যা কষ্ট করেছেন, এবং তাঁদের কষ্টের মধ্যে দিয়ে আসমুদ্র হিমাচল পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে মুখ বুজে সহ্য না করার যে দৃশ্তান্ত দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেবে।

    আমরা তাঁদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। শেষপর্যন্ত তাঁদের জমি তাঁরা ফেরত পাবেনই এই আমাদের বিশ্বাস। একটি অনৈতিক সরকারের অনৈতিক জবর-দখল আইনের বিরুদ্ধে করা আইনের চুল-চেরা বিশ্লেষণে হয়তো এবার আদালত অসংবিধানিক কিছু দেখতে পেয়েছেন। কিন্তু যা অনৈতিক তা অনৈতিকই।

    ReplyDelete
  46. এই দুর্দিনে দুষ্টকবির একটা ছড়া ...

    টাটাবাবুর জন্য জমি
    নিলে সেটা ঠিক!
    চাষাভুষার জন্য নিলেই
    অসাংবিধানিক!
    টাটাবাবুর পয়সা আছে
    মামলা করতে পারে!
    তার জমিটা কেড়ে নিলেই
    সবার নজর কাড়ে!
    দুষ্টকবি দেখে অবাক!
    টাটার ঝাণ্ডা ধ'রে,
    নাম-কা-ওয়াস্তে-সমাজবাদীর
    এখনও অশ্রু ঝরে!

    ReplyDelete
  47. এই দুর্দিনে দুষ্ট কবির আরও একটা ছড়া . . .

    শৈশবে টাকা পুঁতে
    জল দিত সে মাটিতে
    টাকার গাছ হবে ভেবে!
    সে-ই তো ভারত দেশে
    মহামানবের বেশে
    ঊচ্চ আসনখানি নেবে!
    আজীবন কূটনীতি
    ও যার শুধু নিজ-প্রীতি
    কেমনে সে হবে নিরপেক্ষ ?
    দুষ্ট কবির কথা
    পাগলামি ছাতামাথা
    তার তো যে নেই কোনো পক্ষ!

    . কলকাতা, ৯/৭/২০১২

    ReplyDelete
  48. আজ শুভ দিনে দুষ্ট কবির আরো একটা ছড়া . . .

    সে-ই তো ভারত দেশে
    মহামানবের বেশে
    মহান আসনখানি নেবে!
    শৈশবে টাকা পুঁতে
    জল দিত যে মাটিতে
    টাকার গাছ হবে ভেবে!
    ছলা কলা চলা বলা
    গাছের খেয়ে কুড়ায় তলা
    গায় সাম দণ্ড ভেদ ও ভয়!
    মাথায় বুলিয়ে হাত
    সব্বাই কুপোকাৎ
    যেন মর্কট ও মার্জারদ্বয়!
    আজীবন কূট-নীতি
    ও যার শুধু নিজ-প্রীতি
    আজ নাকি হবে নিরপেক্ষ!
    দুষ্ট কবির কথা
    পাগলামি ছাতামাথা
    তার তো যে নেই কোনো পক্ষ!
    . কলকাতা, ১৮/৭/২০১২

    আরও বিভিন্ন কবির ছড়া পড়তে মিলনসাগরের ছড়াল দেয়াল দেয়ালিকাদেয়ালিকা ২ এ যেতে এখানে ক্লিক্ করুন।

    ReplyDelete
  49. এক সময় খুব কার্টুন আঁকতাম। অবশ্যই রাজনৈতিক! তার কিছু দেখতে এখানে ক্লিক্ করুন....। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সময়টা কার্টুন আঁকার পক্ষে প্রশস্ত নয়!! খামাখা শ্রীঘর দর্শন করা খুব আনন্দের হওয়ার কথা নয়!!!

    যাই হোক দুষ্ট কবির একটা ছড়াই হয়ে যাক . . .

    মেনিমুখো হুলো বলে
    ম্যায়াও! ম্যায়াও! ম্যায়াও!
    তাই শুনের খুকী বলে
    হাও? হাও? হাও?
    মেনিমুখো হুলো ডাকে
    ও দিদিভাই,
    তুমিই বলো আমি আজ
    কি দিয়ে খাই।
    দিদিভাই শুনে বলে
    কেন ম্যায়াও! ম্যায়াও!?
    ওটা তো শুনিতে ঠিক
    মাও! মাও! মাও!
    আমি জানি আস্তিনে
    লুকিয়েছো তাও!
    শশুরবাড়ীতে যাও!
    সরকারী খাও!

    আরও বিভিন্ন কবির ছড়া পড়তে মিলনসাগরের ছড়াল দেয়াল দেয়ালিকাদেয়ালিকা ২ এ যেতে এখানে ক্লিক্ করুন।

    ReplyDelete
  50. মিলন সেনগুপ্তAugust 20, 2012 at 7:05:00 PM GMT+5:30

    দুষ্ট কবির আরও একটা ছড়া হয়ে যাক . . .

    ত্রিশূল বাতি

    দেখে এলেম কোলকাতায়
    হাজার হাজার ত্রিশূল বাতি!
    গজিয়ে পথে রাতারাতি,
    জ্বলছে নাকি ত্রিলোক মাতি!

    পথের ধারে ত্রিশূল খুঁটি!
    তিনটি ফলায় তিনটি বাতি!
    আলোর চেয়ে বাহার খাঁটি,
    সেই সে কালের বড়লাটী!

    রস নেই, ভাই দুষ্ট কবির
    প্রশ্ন তোলে তাই তো সব-ইর---

    যদি, ত্রিশূল বাতিই দিলে পথে,
    কেন জ্বলছে সোডিয়ামও সাথে?
    মিডিয়াতেও প্রশ্ন দোলে---
    হিসেব নাকি গণ্ডগোলে!?

    আহা! ওসব বললে চলে!?
    ওসব বিরোধীরাই বলে!
    বলছি মোরা কলকাতাকে---
    বিলেত করে তুলবো ঠেলে!

    তাইতো ত্রিশূল বাতির কাতার
    তিলোত্তমার সাজের বাহার!
    ত্রিশূলবাতি সুন্দরায়ণ!
    সোডিয়ামে আলোকায়ণ!

    ReplyDelete
  51. দুষ্ট কবি বলছেন . . .

    মনমোহনের অর্থনীতি
    চুইয়ে চুইয়ে পড়ছে!
    সাঙ্গ-পাঙ্গ, দুইয়ে দুইয়ে
    স্ক্যামের সাগর গড়ছে!
    এ জি ও জি এ গেট ও গেট
    স্ক্যামের নামের গুচ্ছ!
    শেয়ার-বাজার-ইনডেক্স ছাড়া
    তাঁর কাছে সব তুচ্ছ!
    এমন ঠুঁটো মহাজ্ঞানী
    জগন্নাথও নয়!
    দুষ্ট কবি এই না দেখে
    ফ্যালফ্যালিয়ে চায়---
    মনমোহনের জন্য উতল
    বামেদের হৃদয়!
    মনমোহনের মোহন-নীতির
    জয়! বলো জয়!

    . কলকাতা, ২৬/৮/২০১২

    আরও বিভিন্ন কবির ছড়া পড়তে মিলনসাগরের ছড়াল দেয়াল দেয়ালিকাদেয়ালিকা ২ এ যেতে এখানে ক্লিক্ করুন।

    ReplyDelete
  52. হজ থেকে ফিরে এসে
    তাল ঠুকে মৃদু কেশে
    কহিলেন রেজ্জাক মোল্লা---
    “এলাম মক্কা থেকে
    কাবা-এ মাথাটি টেকে
    তাই হনু আমি - হাজী মোল্লা”।
    তা শুনে দুষ্ট কবি
    কহিলো “বুঝি সবই
    কিন্তু, পীর কার্ল মার্ক্স যাবে কোথা?
    সারাটি জীবন যিনি
    প্রচারিলো মার্ক্স-বাণী
    তাঁর মুখে এ কেমন কথা!”
    পলিটব্যুরোর বুড়ো
    যত কমিউনিস্ট খুড়ো
    কুলুপ আঁটিলো সব মুখে!
    এ হাজীরে কিছু ব’লে
    যদি ভোট যায় চ’লে
    চুপ থাকা ভালো এই দুখে!!


    . কলকাতা, ২৮.১০.১০১২

    ReplyDelete
  53. বারাসতের কামদুনি গ্রামের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর প্রশ্ন উঠেছে বুদ্ধিজীবীরা কেন পথে নেমে মিছিল করছেন না!
    মনে পড়ে গেল সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলাকালীন ঠিক এমনি একটি কথা তখনও উঠেছিল।
    তাই নিয়ে দুষ্ট কবির ৩/৪/২০০৭ তারিখে লেখা একটি কবিতা, আজও, এই "পরিবর্তন"-এর পরেও, আমরা না দিয়ে পারলাম না!
    প্রশ্ন, "পরিবর্তন" কি আদৌ সংঘটিত হয়েছে ? হয়ে থাকলে, কিসের পরিবর্তন ?

    মিছিলে বুদ্ধিজীবী
    এখন অরাজনৈতিক বুদ্ধিজীবীদের মিছিলে
    কলকাতা রোজ ছেয়ে যায়
    বুদ্ধিজীবী হবার এই বিপদ
    এ শহরে কত রকমের জীবীকা
    সুতরাং কত রকমের জীবী
    কই তাদের তো কেউ বলে না পথে নামতে
    যত দায় কেবল বুদ্ধিজীবীদের

    অনেক বুদ্ধিজীবীর ফিরিয়ে দেবার মত কিছুই নেই
    নাম নেই ধাম নেই
    দুষ্ট কবির মত
    ভাত টিপে দেখার মত পিশে ফেললে
    কোনো অবিচুয়ারি কলামেও নাম উঠবে না
    পরের নির্বাচনে তার ভোট ঠিকই পড়ে যাবে . . .

    ReplyDelete